একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স নিজেই অসুস্থ

ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

১৬টি ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভা নিয়ে ঢাকার ধামরাই উপজেলা। এ উপজেলায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। চিকিৎসা সেবায় রয়েছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতাল।
উপজেলা সরকারি এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা কিছুটা উন্নতি হলেও খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে প্রায় ২০ বছরের পুরাতন রোগী বহনকারী একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি।

দেখলে মনে হবে অ্যাম্বুলেন্সটি নিজেই অসুস্থ্য। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই গাড়িটি ধুঁকে ধুঁকে চলছে। রোগী বহনের বিকল্প কোন যানবাহন না থাকায় এটি দিয়েই চলছে কোন রকম জোড়াতালি দিয়ে।
শুধু ধামরাই উপজেলাবাসীই নয় এ হাসপাতালটি সাভার ও আশুলিয়া থানার অতি নিকটবর্তী হওয়াতে এ এলাকার কিছু অংশের মানুষ এখানে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।
গুরুত্বর রোগীকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো এ কারণে বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স অতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে হাসপাতালে বড় সমস্যা অ্যাম্বুলেন্স। প্রায় ২০ বছর আগের একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে চলছে রোগী আনা নেয়া। এ যেন আরেক ভোগান্তি। হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী ঢাকায় রেফার্ড করার পরে রাস্তায় এই গাড়ি নিয়ে চলাচল করাও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ বেশিরভাগ সময়ই এটি নষ্ট হয়ে থাকে। এলাকাবাসীর দাবি অতি দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা।
হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সটি মাঝে মাঝে বিকল থাকায় রুগীদের স্বজনদের অতিরিক্ত টাকা গুণতে হচ্ছে।

মিলন সিদ্দিকী নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, রোগী বহনকারী অ্যাম্বোলেন্সটি একেবারেই চলে না। জরুরি মুহূর্তে রোগী অন্যত্র রেফার্ড করা হলে তাৎক্ষণিক কোন গাড়ি পাওয়া যায় না। কারণ হাসপাতালের অ্যা¤ু^লেন্স দিয়ে দূরে কোন রোগী পাঠানো সম্ভব নয়। রাস্তায় এটি যে কোন মুহূর্তে বিকল হয়ে যেতে পারে।

তবে এও জানা যায়, বেশি ভাড়ায় ইমারজেন্সি মুহূর্তে রোগী নেয়ার জন্য অন্য গাড়ির ব্যবস্থা করে দেয় সিন্ডিকেটের লোকজন। তারা ওথ পেতে বসে থাকে কখন কোন রোগী রেফার্ড করা হবে অন্যত্র।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত আরা জানান, অ্যাম্বুলেন্স আনার জন্য চেষ্ট চালিয়ে যাচ্ছি।