জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বাংলাদেশের চিঠি

সীমান্তে মিয়ানমারের সেনা মোতায়েন

সীমান্তে মিয়ানমার সেনা মোতায়েন করায় উদ্বেগ জানিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিঠি দিয়েছে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন।

একই সঙ্গে অভিযানের নামে রোহিঙ্গাদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমানার কাছে মংদাওর উত্তরের কয়েকটি জায়গায় প্রায় এক হাজার সেনা মোতায়েন করেছে মিয়ানমার। এছাড়া ১৩ বা ১৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে মংদাওর একটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে পাঁচ রোহিঙ্গা পুরুষ ও তিন রোহিঙ্গা নারীকে আটক করেছে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী। এসব ঘটনা ২০১৭ সালে তাদের নাগরিকদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর মতোই।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, জুন থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মিয়ানমারে আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী কয়েকটি জায়গায় প্রায় ৩৫টির মতো গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বাংলাদেশকে না জানিয়েই ৪ জুন আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের কাছে সামরিক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে যৌথ অভিযান চালিয়েছে মিয়ানমার মিলিটারি ও বর্ডার গার্ড পুলিশ। সীমান্তে মিয়ানমারের মোতায়েন করা সৈন্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে বেসামরিক ও সামরিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে প্রতিশ্রুতির প্রতি মিয়ানমারকে শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে সীমান্তে সেনা মোতায়েনের ঘটনায় ১৩ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। পরদিন সামগ্রিক বিষয় জানিয়ে মিয়ানমার সরকারকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ।