মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষপূর্তি, জাতির জনকের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শাড়ী বিতরণ করেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট মো. নুরুল আমিন রুহুল।

জহিরাবাদ আ.লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা

১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকান্ড
— এডভোকেট মো. নুরুল আমিন রুহুল এমপি

মনিরুল ইসলাম মনির :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী, জাতির জনকের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আলোচনা সভা, মিলাদ দোয়া, তাবারক বিতরণ ও গরীব অসহায়দের মাঝে শাড়ী বিতরণ করা হয়।
জহিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক আব্দুস শুক্কুর মৃধার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মুকবিল হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- চাঁদপুর-২ নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট মো. নুরুল আমিন রুহুল।

মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষপূর্তি, জাতির জনকের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট মো. নুরুল আমিন রুহুল।

নুরুল আমিন রুহুল বলেন, ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকান্ড। জগতে আর কোনো হত্যাকান্ডে নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়নি, অবলা নারীকে হত্যা করা হয়নি, টার্গেট করা হয়নি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে। সে সময় বিদেশে ছিলেন বলেই প্রাণে বেঁচে যান আমাদের আশার বাতিঘর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানা। সেদিন তারা বেঁচে গিয়েছিলেন বলেই আজকে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। হয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচার। কলঙ্কমুক্ত হয়েছে দেশ।
আলহাজ্ব এডভোকেট মো. নুরুল আমিন রুহুল বলেন, ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞ এবং পরবর্তীতে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। ১৫ আগস্টের প্রধান টার্গেট ছিল আমাদের ভৌগলিক মুক্তির স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একুশে আগস্টে প্রধান টার্গেট ছিল আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির স্থপতি শেখ হাসিনা। দুটি ঘটনার কুশীলবরা এখনও সক্রিয়। তাদের ষড়যন্ত্রের নীলনকশা এখনও চলছে।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এড. রুহুল আমিন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান ও গাজী ইলিয়াছুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন খান সুফল।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার মল্লিক, জহিরাবাদ ইউপির চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) দেলোয়ার হোসেন মল্লিক, মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান মো. জহির, সাধারণ সম্পাদক কাজী শরীফ, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা ও প্রিন্টটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী পাপ্পু, চাঁদপুর সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এড. খালিদ মোশারফ, জহিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জালাল উদ্দিন কবিরাজ প্রমুখ।