টেস্ট বাড়াতে নতুন কৌশল নিতে যাচ্ছে সরকার

করোনা মোকাবেলায় সর্বোচ্চসংখ্যক নমুনা পরীক্ষায় শুরু থেকেই জোর দিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিশেষজ্ঞ মহল। আরটিপিসিআর টেস্টের পাশাপাশি তারা এন্টিবডি টেস্টের উপরও জোর দিয়েছিলেন। ব্যয়সাশ্রয়ী হওয়ায় সর্বোচ্চসংখ্যক নমুনা পরীক্ষা নিশ্চিত করতে উন্নত দেশগুলোও এন্টিবডি টেস্টকে এখন সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরের মতো দেশ এরই মধ্যে এ নীতি অনুসরণের মাধ্যমে বেশ সফলতা পেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও বেশ কয়েক দিন আগে থেকে জানানো হয়েছিলো টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে নতুন কৌশল নিতে যাচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার র‌্যাপিড টেস্টিং এন্টিবডি কিট ব্যবহারের নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে বলা হচ্ছে , করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্তের জন্য নয় কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, তা নির্ণয়ের জন্য এই পরীক্ষার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসর্গ প্রকাশ না পেলে মানুষ পিসিআর টেস্টের মাধ্যমে নমুনা পরীক্ষা করাতে যাবে না, এটাই স্বাভাবিক। উপসর্গমুক্ত রোগীদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এন্টিবডি টেস্ট কার্যকর হতে পারে। বিশেষ করে সংক্রমণের ব্যাপ্তির প্রকৃত চিত্র অনুধাবনের জন্যও এটি কার্যকর।