মতলব উত্তরের মাইজকান্দিতে তুচ্ছ ঘটনায় বৃদ্ধা’সহ ২ নারীকে মারধর

মতলব উত্তর প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের মাইজকান্দি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনায় হাসিনা বেগম (৬০)’সহ ২ নারীকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে করেছে প্রতিপক্ষ। গুরুত্বর আহত হাসিনা বেগম (৬০) ও মোরশেদা বেগম গুরুত্বর আহত অবস্থায় মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১৬ জুন মঙ্গলবার দুপুরে।
মোসলেম মোল্লার মেয়ে খোরশেদা আক্তার বাদি হয়ে মতলব উত্তর থানায় একটি লিখিত আবেদন করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের মাইজকান্দি মোসলেম মোল্লার বাড়ির যৌথ কাঁচা রাস্তায় বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে রাস্তার মধ্যে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রাস্তায় চলাচল পুরো অনুপোযোগী হয়ে গেছে। কিন্তু বিবাদী সাইফুল একাধীকবার এই রাস্তা দিয়ে মটর সাইকেল যাতায়ত করে।
হাসিনা বেগম রাস্তাটি পুনরায় মেরামত শেষে আবারও ব্যবহারের অুনরোধ করেন সাইফুলকে। এতে সাইফুল ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ী থেকে লাঠি সোটা ও লোহার ছেনা নিয়ে আসে হাসিনা বেগমকে মারধর করতে থাকে। এমতাবস্থায় বিবাদী সোবাহান মোল্লা লোহার দাড়ালো ছেনা দ্বারা হাসিনা বেগমকে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। হাসিনা বেগমকে বাঁচাতে তার বড় মেয়ে মোরশেদা বেগম ও বাদী নিজে এগিয়ে এলে বিবাদী সোবাহান মোল্লা হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে থাকা ছেনা দ্বারা আঘাত করে। মোরশেদা বেগম তা বাম হাত দিয়ে প্রতিহত করলে আঙ্গুলে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়। জ্ঞানশূন্য মোরশেদা বেগম মাটিতে পরে গেলে বিবাদী সাইফুল ও নার্গিস টানা হেছড়া করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। আহত মোরশেদার বেগমের গলায় থাকা ৮আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন সাইফুল ছিনিয়ে নেয়। বিবাদী কবির মোল্লা বাদী খোরশেদা বেগমকে রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্নক জখম করে। তাৎক্ষণিক আশপাশের লোকজন লোকজন এসে খোরশেদাকে রক্ষা করে।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, মৃত. জনু মোল্লার ছেলে সোবহান মোল্লা (৪৫), করিম মোল্লার ছেলে মো. সাইফুল (২৫), নুরুল আমিন মোল্লার ছেলে কবির মোল্লা, কবির মোল্লার স্ত্রী নার্গিস বেগম ও মো. আলীর স্ত্রী নয়ানী বেগম’সহ আরো অজ্ঞাত ২-৩জন মিলে হাসিনা বেগমের উপর অতর্কিত হামলায় করে। হাসিনা বেগমকে বাঁচাতে তার মেয়ে মোরশেদা বেগম এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করে।
খোরশেদা আক্তার বলেন, সাইফুলরা আমাদের একই বাড়ির আলাদা হিস্যার লোক। তারা আমাদের বাড়ির ইজমালী রাস্তা সংক্রান্তে বিরোধের জের ধরে তারা আমাদের উপর বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার অবিচার করে আসছে। তাদের অত্যাচারে প্রতিবাদ করিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র সজ্জিত হয়ে বে-আইনী ভাবে জনতা বদ্ধ হয়ে হামলা চালায়। উল্লেখিত বিবাদীরা আমারপরিবারের লোকজনদেরকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি।
মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লোকমান হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।