মঙ্গলবার দুপুরে অভিনেত্রী পরী মনির শুনানি শেষে আদালত থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে: পরী মনি

আমাকে মিথ্যা মামলায় ইচ্ছা করে ফাঁসানো হয়েছে, আর মিডিয়া তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে, শুনানি শেষে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় চিৎকার করে কথাগুলো বলেন চিত্রনায়িকা পরী মনি।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) তার বিরুদ্ধে বনানী থানায় দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার শুনানি হয়। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আলোচিত চিত্রনায়িকা পরী মনিকে আরও দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এদিন দুপুর ১২ টার দিকে তাদের আদালতে হাজির হয়। পরে মাদক মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তে নিয়োজিত সংস্থা সিআইডি।রাষ্ট্রপক্ষ এসময় রিমান্ডের জোর দাবি জানান। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করেন। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালদ পরীমনি ও তার সহযোগীর দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদেশ শোনার পর আদালত কক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরীমনি। এরপর আদালত কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় মাস্ক খুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে, আপনারা মিডিয়া কী করছেন? সব তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছেন।

বনানী থানায় পরী মনি ও তার সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দীপুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮- এর ৩৬ (১) এর সারণি ২৪(খ)/৩৬ (১) এর সারণি ১০ (ক)/৪২(১)/৪১ ধারায় র‍্যাব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদের আদালত মাদক মামলার শুনানি শেষে পরী মনি, রাজ ও তাদের দুই সহযোগীর প্রত্যেককে চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বিকেলে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এ নায়িকার বনানীর বাসা চারদিক ঘিরে ফেলে প্রায় চার ঘণ্টা ভেতরে তল্লাশি শেষে পরী মনিসহ ৩ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তার বাসা থেকে বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিপুল পরিমাণ মদ, এলএসডি উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে একই রাতে বনানীর ৭ নম্বর রোডে পরীমনির বন্ধু রাজের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। এ সময় তার বাসা থেকেও বিদেশি মদ উদ্ধার হয়।