সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে মাদ্রাসা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হেফাজতের

সরকারি সিদ্ধান্ত অমান্য করে মাদ্রাসা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হেফাজত। এছাড়া আগামী ২৯ মে হাটহাজারী মাদরাসায় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন করা হবে বলেও হেফাজতের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে রবিবার (১১ এপ্রিল) চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় শীর্ষ নেতাদের জরুরি বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে সংগঠনের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী এসব কথা বলেন।

মামুনুলের রিসোর্টকাণ্ড তার ব্যক্তিগত বিষয়- বাবুনগরী

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, হেফাজতের যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিষয়ে সংগঠনটির বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তার রিসোর্টকাণ্ড এবং তৎপরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে সৃষ্ট বিতর্ককে মামুনুলের ‘একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়’ বলেও মন্তব্য করেন বাবুনগরী।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে সরকারি সিদ্ধান্তে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঘোষণা অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। তবে লকডাউনেও মাদরাসা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

পরে হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, মাদরাসা বন্ধের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।
সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহার করে দ্রুত গ্রেফতারদের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের নেতাকর্মীদের হয়রানি বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন হেফাজতের নেতারা।

হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- জবাবে আজিজুল হক বলেন, মামুনুল হকের বিষয়টি তার ব্যক্তিগত। তিনি শরিয়ত সম্মতভাবে বিয়ে করেছেন। সভায় হেফাজতের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী, হেফাজত নেতা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, জুনায়েদ আল হাবিব, সালাউদ্দিন নানুপুরি, আবদুল আউয়াল, জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, সাখাওয়াত হোসাইন রাজি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রবিবারবার (১১ এপ্রিল) চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় জরুরী সভা করে হেফাজত। বেলা সাড়ে ১১টায় সভাটি শুরু হয়। চলে বেলা পৌনে ৪টা পর্যন্ত।